


Empowering Women in Rural South 24 Parganas: A Journey with 'Unnati Didi'
আমি রূপম, অনাহত পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মাসাত এলাকায় যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেখানে 2020 সালে “কাঙ্কুরা মাসাত” নামে একটি সংস্থার সঙ্গে আমাদের কাজ করার সুযোগ হয়। ওখানকার কিছু দিদিদের covid এর সময়ে নিজেদের উপার্জন বজায় রাখতে আমরা সেলাই এর কাজ শেখাই এবং আমাদের প্রোগ্রামের সঙ্গে ওনাদের যুক্ত রাখি। প্রথমবারের মতো ওখানে গিয়ে আমি খুব অবাক হলাম।
দিদিদের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম, এই প্যাড মেকিং শুধু একটি কাজ নয় — এটি তাঁদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। অনেকেই এখন নিজের উপার্জনে সংসারে সাহায্য করছেন, কেউ নিজের সেলাই মেশিন কিনেছেন, কেউ আবার এই আয়ের টাকা দিয়ে মোমবাতির ব্যবসা শুরু করেছেন। কেউ কেউ প্রথমবারের মতো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে সঞ্চয় করাও শুরু করেছেন।
তাঁদের গল্প শুনে আমার মনে হয়েছে, ছোট একটি উদ্যোগও কত বড় পরিবর্তন আনতে পারে। যাঁরা আগে হয়তো নিজের সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করতেন, তাঁরা আজ নিজেদের কাজ, আয় এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলছেন।
এই সফর আমার কাছে শুধু একটি মাঠপর্যায়ের কাজ ছিল না, বরং অনেক নতুন অভিজ্ঞতা, উপলব্ধি এবং অনুপ্রেরণার জায়গা হয়ে উঠেছিল।
এই সংস্থাটি প্রায় ৪৫০ জন শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করছে এবং আরও ১৮০ জন শিশুকে প্রাইভেট টিউশনের সুযোগ করে দিচ্ছে। তাঁদের সহযোগিতায় আমরা বিভিন্ন উন্নতি দিদির বাড়িতে যাই, তাঁদের সঙ্গে কথা বলি এবং তাঁদের কাজ কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাই।
আজও দেশের বহু গ্রামে এমন অনেক নারী আছেন, যারা জানেন না মাসিক প্যাড কী, মাসিকের সময় কীভাবে নিজের যত্ন নিতে হয়, কিংবা কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হয়। অনেকেই এখনও কাপড় ব্যবহার করেন, যা সঠিকভাবে পরিষ্কার বা শুকানো না হলে দীর্ঘমেয়াদে নানা শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই অনাহত গ্রামের পর গ্রামে গিয়ে মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে, মাসিক সম্পর্কে সচেতন করে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের গুরুত্ব বোঝায়।
এই ভাবনা থেকেই অনাহত তৈরি করেছে মেন্সট্রুয়াল ক্লথ প্যাড (কাপড় দিয়ে তৈরি মাসিক প্যাড), যা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। এর ফলে একদিকে যেমন মহিলাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকে, অন্যদিকে প্রতি মাসে প্যাড কেনার আর্থিক চাপও অনেকটা কমে যায়।
শুধু সচেতনতা নয়, অনাহত মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার দিকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছে। “উন্নতি দিদি” উদ্যোগের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন গ্রামে মহিলাদের মেন্সট্রুয়াল ক্লথ প্যাড তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যেসব মহিলারা এই প্যাড তৈরি করেন এবং গ্রামের অন্যান্য মহিলাদের এর উপকারিতা বোঝান, তাঁদেরই আমরা “উন্নতি দিদি” নামে চিনি।
সবচেয়ে ভালো লেগেছে এই দেখে যে, অনাহত শুধু মাসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছে না, বরং অসংখ্য মহিলার স্বপ্নপূরণ এবং আত্মনির্ভরতার পথও তৈরি করছে।
আমি চাই, ভবিষ্যতেও অনাহত এভাবেই এগিয়ে যাক। গ্রামের প্রতিটি মহিলা যেন মাসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হন, মেন্সট্রুয়াল ক্লথ প্যাড ব্যবহার করেন এবং প্যাড তৈরির মাধ্যমে নিজের স্বপ্ন পূরণের সাহস খুঁজে পান।
#womenempowerment #ruraldevelopment #menstrualhealth #socialimpact #selfreliance
দিদিদের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম, এই প্যাড মেকিং শুধু একটি কাজ নয় — এটি তাঁদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। অনেকেই এখন নিজের উপার্জনে সংসারে সাহায্য করছেন, কেউ নিজের সেলাই মেশিন কিনেছেন, কেউ আবার এই আয়ের টাকা দিয়ে মোমবাতির ব্যবসা শুরু করেছেন। কেউ কেউ প্রথমবারের মতো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে সঞ্চয় করাও শুরু করেছেন।
তাঁদের গল্প শুনে আমার মনে হয়েছে, ছোট একটি উদ্যোগও কত বড় পরিবর্তন আনতে পারে। যাঁরা আগে হয়তো নিজের সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করতেন, তাঁরা আজ নিজেদের কাজ, আয় এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলছেন।
এই সফর আমার কাছে শুধু একটি মাঠপর্যায়ের কাজ ছিল না, বরং অনেক নতুন অভিজ্ঞতা, উপলব্ধি এবং অনুপ্রেরণার জায়গা হয়ে উঠেছিল।
এই সংস্থাটি প্রায় ৪৫০ জন শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করছে এবং আরও ১৮০ জন শিশুকে প্রাইভেট টিউশনের সুযোগ করে দিচ্ছে। তাঁদের সহযোগিতায় আমরা বিভিন্ন উন্নতি দিদির বাড়িতে যাই, তাঁদের সঙ্গে কথা বলি এবং তাঁদের কাজ কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাই।
আজও দেশের বহু গ্রামে এমন অনেক নারী আছেন, যারা জানেন না মাসিক প্যাড কী, মাসিকের সময় কীভাবে নিজের যত্ন নিতে হয়, কিংবা কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হয়। অনেকেই এখনও কাপড় ব্যবহার করেন, যা সঠিকভাবে পরিষ্কার বা শুকানো না হলে দীর্ঘমেয়াদে নানা শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই অনাহত গ্রামের পর গ্রামে গিয়ে মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে, মাসিক সম্পর্কে সচেতন করে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের গুরুত্ব বোঝায়।
এই ভাবনা থেকেই অনাহত তৈরি করেছে মেন্সট্রুয়াল ক্লথ প্যাড (কাপড় দিয়ে তৈরি মাসিক প্যাড), যা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। এর ফলে একদিকে যেমন মহিলাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকে, অন্যদিকে প্রতি মাসে প্যাড কেনার আর্থিক চাপও অনেকটা কমে যায়।
শুধু সচেতনতা নয়, অনাহত মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার দিকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছে। “উন্নতি দিদি” উদ্যোগের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন গ্রামে মহিলাদের মেন্সট্রুয়াল ক্লথ প্যাড তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যেসব মহিলারা এই প্যাড তৈরি করেন এবং গ্রামের অন্যান্য মহিলাদের এর উপকারিতা বোঝান, তাঁদেরই আমরা “উন্নতি দিদি” নামে চিনি।
সবচেয়ে ভালো লেগেছে এই দেখে যে, অনাহত শুধু মাসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছে না, বরং অসংখ্য মহিলার স্বপ্নপূরণ এবং আত্মনির্ভরতার পথও তৈরি করছে।
আমি চাই, ভবিষ্যতেও অনাহত এভাবেই এগিয়ে যাক। গ্রামের প্রতিটি মহিলা যেন মাসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হন, মেন্সট্রুয়াল ক্লথ প্যাড ব্যবহার করেন এবং প্যাড তৈরির মাধ্যমে নিজের স্বপ্ন পূরণের সাহস খুঁজে পান।
#womenempowerment #ruraldevelopment #menstrualhealth #socialimpact #selfreliance
Shared byDevon Cole - 11 days ago
Log in to comment
Loading ..
Related Articles
3
0/100